Breaking News
recent

বুকে অনেক কষ্ট নিয়ে সেই দিন

Related image
ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি অর্থাৎ এই বছর
ইন্টারে ওঠলাম।জীবনের প্রথম আজ কলেজে
যাব। তাই আজ সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠে
পড়লাম।তারপর ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা
করে নিলাম।মনের মাঝে অন্যরকম একটা
অনুভূতি কাজ করতেছে।জীবনের প্রথম
কলেজে পড়ব।তাও আবার আজকে কলেজে
প্রথম যাব।মনে মনে অনেক আনন্দিত।
কলেজে কি যেন হয় তা ভাবতেছি।যাই
হোক কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হলাম।
কলেজে সকাল ৯-৩০ মিনিটে যাওয়ার জন্য
বলছে।৯ টার আগেই রেডি।সাড়ে ৯ টার
আগে আগেই কলেজে গিয়ে উপস্থিত হলাম।
কলেজের গেইটে গিয়ে দেখি এক-দুই জন
ছাত্র-ছাত্রী বাদে আর কেউ নেই।ভাবলাম
এখনও কেউ আসে নাই।কিন্তু না,কলেজের
ভিতরে গিয়ে দেখি বড় করে ফেন্ডেল
দিয়ে আর স্টেজ করে, সাজানো অনেক
সুন্দর ভাবে।দেখলাম সবাই উপস্থিত আছে
কয়েক জন বাদে।আরো কিছু চেয়ার খালি
আছে।

আরে আমার তো পরিচয়ই দেওয়া হলো না।
আমি জুবায়ের, ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে
ওঠলাম।যাই হোক জীবনের প্রথম কলেজে।
স্টেজে বড় করে একটা ব্যানার লাগানো।
ব্যানারে যা লেখা ছিল....
"২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের
ওরিয়েন্টেশন"
নিচে লেখা আছে আয়োজনে কলেজ
কর্তৃপক্ষ। খুব সুন্দর করে ফুল, বেলুন দিয়ে
স্টেজ সাজানো।পাশে বড় বড় দুইটা
স্পিকার। এখন পর্যন্ত সব ছাত্র-ছাত্রী
আসে নাই তাই কিছু চেয়ার খালি আছে।
ভাবলাম অনুষ্ঠান শুরু হলে গিয়ে বসব।কিন্তু
না,এমন সময় আমার সামনে দিয়ে একটি
মেয়ে যাচ্ছে।দেখতে অনেক সুন্দর।তার
হাসি যেন আরো সুন্দর।নানারকম সাজে
কলেজে এসেছে সে।কিছুক্ষণ পরে একজন
স্যার আমাদের সবাইকে বলল.....
সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে তোমরা
যার যার আসনে এসে বস।তারপর গিয়ে
বসলাম। বসার পর চেয়ে দেখি সেই মেয়েটি
আমার পাশের সিটে বসা।আমি তো তাকে
দেখে অবাক।অনুষ্ঠান শুরু হলো।আমি শুধু
মেয়েটির দিকে কতক্ষণ পর পর তাকাই।
মেয়েটি ও আড় চোখে আমার দিকে
তাকাই,আর মুচকি একটা হাসি দেয়। এভাবে
অনেক্ষন হয়ে গেল।এক জন আরেক জনের
দিকে চেয়ে থাকা।

এরপর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য অনুরোধ
করা হয়েছে প্রিন্সিপাল স্যার কে।
প্রিন্সিপাল স্যার বক্তব্য দেওয়ার জন্য
সামনে আসল।স্যারে একে একে কলেজের
আইন কানুন বলল।সব স্যার ম্যাডামদের
পরিচয় করিয়ে দিল।স্যারে আমাদেরকে
অনেক উপদেশ মূলক কথা বলছে।কিভাবে
কলেজে লেখা পড়া করব।কিভাবে সামনের
তিকে অগ্রসর হব। আরো অনেক কিছু বলছে।
তবে সব চেয়ে ভালো একটা কথা বলছে,
সেটা হলো....
"স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছায়,আমরা বদ্ধ পরিকর"
অর্থাৎ স্বপ্ন দেখব আমরা যারা ছাত্র-
ছাত্রী আর আমাদের এই স্বপ্ন পূরণ করতে
সাহায্য করবে স্যার ম্যাডামরা।সব সময়
সর্বাদিক সাহায্য করতে প্রস্তুত শিক্ষকরা।
স্বপ্ন দেখব আমরা আর এই স্বপ্ন পূরণে
পৌছিয়ে দিবে তাঁরা।যাই হোক একে একে
সব শিক্ষকরা বক্তব্য রাখতেছেন।

এদিকে মেয়েটির সাথে আমার ভাব অনেক
জমে গেছে।ভাবলাম এই মেয়েকে প্রপোজ
করব,এর সাথেই প্রেম করব।আমার অনেক
দিনের ইচ্ছা কলেজে গিয়ে প্রেম করব।
আজকে সেই আশা পূরণ হতে যাচ্ছে। সারা
অনুষ্ঠান ধরে মেয়েটি বার বার আমার
দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দেই,আর
আমি মেয়েটির হাসি দেখে আরো বেশি
তার প্রেমে পড়ে যাই।অনুষ্ঠান চলাকালীন
মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম....
-কেমন আছেন
-ভালো,আপনি
-জি, আমি ভালো আছি(আমি)
-আপনে এই ভাবে আমার দিকে বার বার
কেন তাকাচ্ছিলেন
-আসলে আপনে অনেক সুন্দর, তাই....
-বুঝছি,আপনারা ছেলেরা এরকমই
-তাহলে আপনিও তো আমার দিকে
তাকাচ্ছিলেন(আমি)
-না,তাকাই নি
-আচ্ছা আপনার নামটা জানতে পারি
-কেন নাম দিয়ে কি করবেন(মেয়েটি)
-অনেক কিছু করবো
-না,আমার নাম কোনো অপরিচিত লোক কে
বলি না
-আমরা তো এখন পরিচয় হলাম
-না,আপনাকে আমার নাম বলব না(মেয়েটি)

এভাবে অনেক্ষন নানা ধরনের কথা বলতে
থাকলাম।কিন্তু ওর ঠোঁটের নিচে একটা
কালো তিল আছে যার কারনে মেয়েটি কে
আরো সুন্দর লাগে।আমি যেন বার বার নতুন
করে মেয়েটির প্রেমে পড়তেছি।মেয়েটির
দিকে যতবার তাকাই ততবার যেন মনে হয়
এত দিনে আমি আমার জীবন সঙ্গীনি খুঁজে
পেয়েছি।তারপর মেয়েটিকে আবার
বললাম....
-আপনে কোন বিভাগে আছেন
-মানবিক, আপনি
-আরে মিলে গেল যে,আমিও তো মানবিকে
-তাই বুঝি
-হুম,তাহলে ভালই হলো
-ভালই হলো মানে
-না,কিছু না

কথা যতো বলি আরো তত যেন ভালো
লাগে।কলেজে প্রথম দিনে এমন একটা ঘটনা
ঘটবে তা আমি ভাবি নি।জীবনের প্রথম
কলেজে গেলাম।তা ও আবার গিয়েই এক
মেয়েকে ভালোবেসে ফেলি।কলেজের
প্রথম দিন খুব স্মরণীয় হয়ে থাকবে।মেয়েটি
একটা লাল কালার ড্রেস পড়ে এসেছে।
পৃথিবীর সব সুন্দর মনে হয় এই মেয়েটিই
পেয়েছে।তারপর অনুষ্ঠান শেষ পর্যায়ে।
অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেল,এবং একে এবে করে
সব ছাত্র-ছাত্রী বের হয়ে যাচ্ছে।আর আমি
ঐ মেয়েটিকে খুঁজতেছি। আমার পাশের
সিটে বসা থাকলেও সবার মাঝে কোথাই
যে হারিয়ে গেল।খুঁজতে খুঁজতে চেয়ে দেখি
কলেজের গেইটে দাঁড়িয়ে আছে।আমি গিয়ে
বললাম......
-কারো জন্য অপেক্ষা করতেছেন
-হুমম,আমার এক বান্ধবী
-ভালো,আচ্ছা আপনার নামটা জানতে
পারি(আমি)
-নাম জানার এতো ইচ্ছা
- হুমম,,বলেন প্লিজ
-বলতে পারি একটা শর্তে আপনি আমার
জন্য প্রতিদিন ক্লাসে বসার জন্য জায়গা
রাখবেন(মেয়েটি)
-ঠিক আছে,আপনার জন্য জায়গা
রাখব,আমার পাশে
-ওকে
-নামটা বলেন(আমি)
-আমার নাম ফারজানা আক্তার সারা
-আমার নাম জুবায়ের আহমেদ জাফর
-ওকে,বাই আবার দেখা হবে(মেয়েটি)

এই বলে চলে গেল সারা।আমি সারার দিকে
তাকিয়ে আছি অপলক দৃষ্টিতে। আবার কবে
দেখা হবে সেই কথা ভাবতেছি...।
.
প্রথম দিন যে মেয়েটির সাথে কথা
হয়েছিল মেয়েটির নাম কি মনে আছে?
মেয়েটির নাম ছিল ফারজানা আক্তার
সারা।মেয়েটিকে দেখে আমার অনেক
ভালো লেগে ছিল।যাই হোক দ্বিতীয় দিন
কলেজে যাব। ঘুম থেকে ওঠে নাস্তা করে
বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসলাম।
একটা রিক্সার জন্য অপেক্ষা করতেছি।
কিছুক্ষণ পরে একটা রিক্সা আসল।কলেজের
উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।রিক্সাতে বসে
ভাবতেছি গতকালের মেয়েটির সাথে
দেখা হবে কিনা।মেয়েটি কি সত্যি
আমাকে ভালোবাসবে।এসব ভাবতে ভাবতে
কলেজে চলে আসলাম।এষে ক্লাসে ব্যাগটা
রেখে বাহিরে আসলাম।আর সারা কে
খুঁজতেছি। কিন্তু কোথাও সারা কে খুজে
পেলাম না।তাহলে আজকে সারা আসবে
না।যেটা ভাবলাম সেটাই হলো।সারা আজ
কলেজে আসে নাই।একটা ঘন্টা করে
বাড়িতে চলে আসলাম।মনটা আজকে ভীষণ
খারাপ।যাই হোক পরের দিন কলেজে
গেলাম।গিয়ে সারাকে খুঁজতেছি, হঠাৎ
চেয়ে দেখি সারা অাসতেছে।আমি গিয়ে
সারার সামনে দাঁড়ালাম। সারাকে
বললাম....
-গতকাল কলেজে আসেন নাই কেন
-এক জায়গায় গেছিলাম
-ও,কেমন আছেন
-ভালো,আপনি কেমন আছেন
-আলহামদুলিল্লাহ, ভালো
-চলেন
.
তারপর ক্লাসে গেলাম।আরে সারা যে
বলছিল সারার জন্য প্রত্যকদিন জায়গা
রাখার জন্য আমার পাশে আপনাদের কি
মনে আছে।সারা কে নিয়ে আমার পাশের
সিটে বসালাম।
-আপনি যে বলছিলেন আপনার জন্য জায়গা
রাখতে,এই যে এটা আপনার জায়গা
সারা তার জায়গাতে বসল।বিনিময়ে
অামাকে ধন্যবাদ দিল। কলেজ শেষ করে
বাসায় চলে যাব।এমন সময় পিছন থেকে
সারা ডাক দিল।বলল...
-এই যে আমি কি একটু কথা বলতে পারি
(সারা)
-হুম,বলেন
-আচ্ছা আমরা এখন থেকে তুমি বলে ডাকব
-ওকে
এরপর আরো কিছুক্ষণ কথা হলো।সে দিনের
মতো চলে আসলাম।বাড়িতে এসে
ভাবতেছি আমি কি সত্যি সারা কে
ভালোবেসে ফেলেছি।আরো নানা কিছু
ভাবতেছি।রাত্রে ঘুমিয়ে পড়লাম।
.
-সারা একটা কথা ছিল
-হুম বল
-আমি তোমাকে ভালোবাসি
-(ঠাস করে আমার গালে একটা থাপ্পর
বসিয়ে দিল সারা)কি বলছ তুমি
-বলছি যে আমি তোমাকে ভালোবাসি
-(আবারো একটা থাপ্পর)
ঘুম থেকে লাফ দিয়ে ওঠলাম।বুক ধরফর
করতেছে। শরীল থেকে চিকন ঘাম বের
হচ্ছে।তাহলে আমি স্বপ্ন দেখতেছিলাম।
যাক বাঁচা গেল।আমি তো মনে করছি সত্যি
সত্যি।কলেজে গেলাম, সারার সাথে সবসময়
এক সাথে চলি এক সাথে থাকি।আমার
পাশের সিটে বসে।সারার সাথে অনেক
জায়গাতে ঘুরতে যায়।সব সময় আমরা দুজন
দুজনকে কেয়ার করি।নানা আনন্দ দিন
কাটতেছিল আমাদের। কিন্তু আমার যে আর
সহ্য হচ্ছে না।কারন সারা কে যদি অন্য
কেউ প্রপোজ করে ফেলে।মনের ভিতরে এই
নিয়ে এক রকম ভয় কাজ করতেছে।কি করা
যায়। সারা কে কি প্রপোজ করব নাকি করব
না।যদি সারা অামাকে না করে দেয়।
কিন্তু সারা তো মনে হয় আমাকে
ভালোবাসে।
.
একিদন রাত্রে ১১ টার পরে ফেসবুকে লগ ইন
করলাম।চেয়ে দেখি একটি মেয়ে মেসেজ
দিছে।মেসেজটা ছিল...
+আপনি কি কাউকে ভালোবাসেন ?
আমি তো এমন প্রশ্ন শুনে অবাক।কে এই
মেয়ে। মেয়ের আইডি টাতে কোনো পিক
ছিল না।আর বিশেষ করে আমি কোনো
মেয়ের সাথে ফেসবুকে কথা বলি না।সাথে
সাথে মেয়েটিকে মেসেজ দিলাম।
+অাপনি কে,আর কেনই বা এমন প্রশ্ন
আমাকে করলেন
+আমি যেই হয়, আমার কথার উত্তর দিন
(মেয়েটি)
আমি এখন কি করব।চিন্তায় পড়ে রইলাম।
পরে বলেই দিলাম...
+হ্যা,আমি একজন কে ভালোবাসি,তারা
নাম সারা, কিন্তু তাকে বলতে পারতেছি
না,যে আমি সারা কে ভালোবাসি
মেয়েটি রিপ্লাই দিল....
+ভালো
এভাবে প্রত্যকদিন মেয়েটির সাথে কথা
হতো।আর এদিকে সারা কে নিয়ে আমি
চিন্তিত। কি করব বুঝতেছি না।প্রায় ২ মাস
হয়ে গেল সারা কে বলতে পারতেছি না।
.
একিদন রাস্তা দিয়ে হাটতেছি, চেয়ে
দেখি সারা একটা ছেলের সাথে এক সাথে
রিক্সাতে বসে হাসতে হাসতে যাচ্ছে।
আমি দেখে তো অবাক।তাহল। এত দিন
যেটা ভাবলাম।সেটাই হলো।তাহলে কি
সারা অন্য ছেলেকে ভালোবাসে।এটা
আমি কি করলাম। আমি সারা কে আমার
ভালোবাসার কথা বলতে পারলাম না।
অবশেষে সারাকে আমার হারাতে হলো।
মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেল।যাকে
ভালোবাসি সে কিনা অন্য ছেলে কে
ভালোবাসে। একবার ও অামার কথা চিন্তা
করল না।বুকের মধ্যে অনেক কষ্ট নিয়ে বেঁচে
রইলাম।এভাবে চলে গেল আরো ৩ মাস।
.
আর এদিকে ফেসবুকের মেয়েটির সাথে
নিয়মিত প্রত্যকদিন কথা হতো।একিদিন
মেয়েটি আমাকে বলল....
+আমি একজন কে ভালোবাসি
+ভালো,কে সে(আমি)
+তার নাম হলো আবির
+ভালো চালিয়ে যান
+আচ্ছা আপনি যাকে ভালোবাসতেন তার
কি খবর(মেয়েটি)
+তার আবার কি খবর, সে অন্য একটি ছেলে
কে ভালোবাসে
+ও,তাকে কি আপনার ভালোবাসার কথা
বলছিলেন
+না,বলতে পারি নাই,বলব বলব এই ভেবে আর
বলা হলো না
+ওও
কথা হতো সবসময় মেয়েটির সাথে।আমার
কথা সবসময় জিজ্ঞাসা করতো,আমার কি
খবর। নানা কিছু।
.
সারা কে একদিন বললাম....
-সারা তোমার সাথে যে রিক্সাতে একটা
ছেলে বসা ছিল, কে সর
-কেন
-বল কে সে
-আমার বয়ফ্রেন্ড
আমি এই কথা শুনে চমকে ওঠলাম।কি বলল
এটা সারা তাহলে সত্যি অন্য ছেলেকে
ভালোবাসে।
-ভালো
এই বলে চলে আসলাম।ভালোভাবে লেখা
পড়ায় মন বসে না।সবসময় মন খারাপ থাকে।
রাত্রে ভালো ভাবে ঘুমাতে পারি না।
সারাক্ষণ শুধু সারার কথ্ মনে হয়।আমি
যাকে ভালোবাসি সে কিনা অন্য একজন
ছেলেকে.....

ভাবতেই অবাক লাগে। পরের দিন কলেজে
গেলাম এবং সারা কে বললাম....
-সারা আমি তোমাকে একটা কথা বলব
-হুম বল
-আমি সিরিয়াসলি বলতেছি,আমি
তোমাকে সত্যি ভালোবাসি।আমি
তোমাকে ছাড়া খুব একা।তোমার কথা
ভাবতে ভাবতে আমার দিন কাটে।প্রতিটা
মুহুর্তে শুধু তোমাকে ভাবি।আমি তোমাকে
ভালোবাসি সারা,আই লাভ ইউ
(ঠাস করে আমার গালে একটা চড় মারল
এটা কি হল)
-তুই ভাবলি কিভাবে যে আমি তকে
ভালোবাসব,আমি ভালোবাসি আবির কে
(আমি আবিরের নাম শুনে চমকে ওঠলাম)
তাহলে এতদিন যার সাথে ফেসবুকে কথা
বলতেছি সেই মেয়েটি সারা।আমার
ভাগ্যটাই খারাপ।যে আমার ভালোবাসার
মানুষটির সাথে এত দিন কথা বলছি চিনতে
পারি নাই।
.
সারা আমাকে বলল...
-শুন জুবায়ের, আমি সত্যি আবির কে
ভালোবাসি,আর আবির ও আমাকে
ভালোবাসে, আমাদের রিলেশন প্রায় এক
বছরের ওপরে হবে।আমি তোমাকে ভালো
বন্ধু হিসেবে জানি। কিন্তু এটা তুমি কি
করলা।ছিঃ আমি তোমাকে কোনো দিন
ভালোবাসতে পারব না জুবায়ের, আমাকে
ক্ষমা করে দাও।
অামি আর কিছুই বলতে পারলাম না..
বুকে অনেক কষ্ট নিয়ে সেই দিন সারার
সামনে থেকে চলে আসি।আজও সারার
সামনে যায় নাই।সারা কে দেখলেই বুকের
মধ্যে কষ্ট টা আরো বেড়ে ওঠবে।আজ অনেক
দূরে চলে যাচ্ছি সারা কে ছেড়ে।হয়তো আর
কোনো দিন জুবায়ের নামে কোনো ছেলে
সারার সাথে ছিল মনে থাকবে না।আর
কোনো দিন এমনকি কেউই জুবায়ের নামে
ছেলেটা কে দেখবে না। চলে যাচ্ছি অনেক
দূরে।আর আসব কি না সেটা ও জানি না......

ভালো থেকো সারা খুব ভালো থেকো।
তুমি তোমার আবির কে নিয়ে সুখি হও।
আমি তোমাকে ভালোবাসতাম,
ভালোবাসি,ভালোবেসে যাব.......
বি:দ্র: গল্পটি কাল্পনিক ছিল। গল্পটা আমার জীবনের মত করে লিখেছি। কিন্তু আমার কোন ভালবাসার ছিলো না। আর নাই ও। একাকি জীবন।
MD. Rasel Rana

MD. Rasel Rana

Blogger দ্বারা পরিচালিত.