Breaking News
recent

বর্গা চাষ কি?

বর্গা চাষ কি?20150622_151947


কোনো ব্যক্তি যখন কোনো জমির মূল মালিকের নিকট হতে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঐ জমি হতে ফসলের ভাগ দেবার শর্তে জমি চাষাবাদ করে তখন ঐ ধরনের চাষাবাদকে বর্গা চাষ বলে ৷
( ১৯৮৪ সালের ভুমি সংস্কার অধ্যাদেশ মতে )
বর্গা চাষ সংক্রান্ত অধিকার:
বর্গাদারের সাথে জমির মালিকের বর্গাচাষ সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের অধিকার এবং চুক্তির ব্যাপারে একমত হওয়ার পর চুক্তি সম্পাদনের জন্য সময় পাবার অধিকার ৷(১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(১) ধারা)
জমি বর্গা দেওয়ার অধিকার এবং বর্গা চাষ করার অধিকার (১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৮(১) ধারা)
বর্গা জমি হতে উত্পন্ন ফসলের ভাগ পাবার অধিকার ৷ (১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১২ ধারা)
বর্গাকৃত জমিটি নির্ধারিত সময়ের জন্য ভোগ দখলের অধিকার ৷{১ঌ৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৮(২)ধারা}
চুক্তি সম্পাদন নিয়ে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করার অধিকার ।{১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ৯(৩) ধারা}
বর্গাদার কোনো বর্গাচুক্তির কোনো শর্ত লংঘন করলে জমির মালিক কর্তৃক জমি ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার।{১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১১ ধারা}
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ব্যক্তি যদি বর্গাজমির ফসল বিক্রির করার দায়িত্ব নিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে বর্গাদারের রশিদ পাবার অধিকার।{১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১২(৮) ধারা}
বর্গা জমিটি যদি জমির মালিক বিক্রির ইচ্ছা পোষণ করে সেক্ষেত্রে জমিটি ক্রয়ের জন্য বর্গাদারের অধিকার ৷ {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১৩) ধারা}
নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি বর্গা নেয়ার অধিকার। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১৪ধারা}
বর্গা জমির উত্‌পন্ন ফসল গোলাজাত করার জন্য জমির মালিক ও বর্গাদারের মধ্যে আলোচনার অধিকার। {১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১২(২) ধারা}
গোলাজাত সংক্রান্ত ব্যাপারে মনিব ও বর্গাদারের মধ্যে আপোষ মীমাংসা না হলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করার অধিকার ৷
নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট আপিলের অধিকার
{১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশের ১৭(২)ধারা}

source-বাংলাদেশের আইন কানুন
MD. Rasel Rana

MD. Rasel Rana

Blogger দ্বারা পরিচালিত.